

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করা এবং বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হবে তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার আয়োজন ও প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এ তথ্য জানায় ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় ২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মেলায় থাকবে ২০০টির বেশি বুথ। এতে প্রায় ২৫০ জন এক্সিবিটর এবং ৫০টির বেশি দেশি-বিদেশি ট্রাভেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও প্রতিনিধিরা মেলায় অংশ নেবেন।
পর্যটনশিল্পের প্রচারে নানা আয়োজন
টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে বিদেশি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের প্রচার ও প্রসারে বিভিন্ন আয়োজন রাখা হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক এ মেলা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বিদেশি পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে আগ্রহী করা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, বিভিন্ন দেশের ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, পর্যটন প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশের পর্যটন খাত আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।
তিন দিনব্যাপী বিটিটিএফে বিভিন্ন দেশের পর্যটন আকর্ষণ, ভ্রমণসেবা ও পর্যটন ব্যবসার সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও নতুন অংশীদারত্ব তৈরির সুযোগ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। এ সময় আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের আশা, আন্তর্জাতিক এ মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা যাবে। পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং দেশি-বিদেশি পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।