

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা জানান।
তিনি বলেন, এবারের বর্ষবরণের শোভাযাত্রা ‘আনন্দ’ বা ‘মঙ্গল’ শোভাযাত্রা এই নামগুলোতে হচ্ছে না। এটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামেই উদযাপিত হবে।
তবে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনের মূল কাঠামো বা ধরনে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারিভাবে সব জেলায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এই নতুন নামেই শোভাযাত্রা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর রমনার বটমূলে ছায়ানটের প্রভাতী অনুষ্ঠান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এই শোভাযাত্রাকে ‘বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এবার সেই আয়োজনের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বর্ষবরণ ও পার্বত্য জেলাগুলোর বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে অন্যান্য কর্মসূচির বিস্তারিত পরিকল্পনা পরবর্তী সময়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে।