
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনই কোনো তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে এবং উভয় দেশের সরকারপ্রধানের জন্য সুবিধাজনক সময়ে সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকটি প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৈঠক শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের সঙ্গে দূরদর্শী, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়নি বলে জানান তিনি।
বৈঠক সম্পর্কে নিজের সন্তুষ্টির কথাও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টির জন্য যথাযথ সময় দিতে হবে।
দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেওয়া ভারত সফরের আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের সরকারপ্রধান যখন সফরের জন্য উপযুক্ত সময় মনে করবেন, তখনই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর কবে হতে পারে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানাননি ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, সফরের ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারপ্রধানের সুবিধাজনক সময়কেই গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা ইতিবাচক রয়েছে। তাই সফর আয়োজনের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়োর পরিবর্তে উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকেও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
হাইকমিশনারের বক্তব্যে দুই দেশের সরকারপ্রধানের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের পাশাপাশি সময় নির্বাচনকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।