

কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে আমদানিকৃত কার্গো থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) স্থানান্তর কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালী এলাকায় আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি ট্রান্সফার শুরু করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে গ্যাস সরবরাহের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে কমছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দেশে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমে যায়।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম চালু হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।