বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৬ ক্যাটাগরিতে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ বসুন্ধরায় জ্বালানি অবকাঠামো ঘাটতি, বাড়ছে যানবাহনের চাপ ভোট চুরির অভিযোগে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ এমপিদের আটক শুধু বই নয়, ষষ্ঠ শ্রেণিতে গুরুত্ব পাবে খেলাধুলা-সংস্কৃতিও : শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হুমায়ুন কবীর গ্রেফতার আ.লীগের সঙ্গে সমঝোতায় আগে অপরাধ স্বীকার ও অনুতাপ জরুরি : তথ্য উপদেষ্টা এনসিটিবিতে দুদকের অভিযান, পাঠ্যবইয়ের দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিনে আনসারদের নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন শুভ-কেয়ার ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ঘিরে চমকপ্রদ কথা: প্রথম ওয়েব ফিল্ম কেয়া পায়েলের ‘পিচ্চি রাজা’কে পালাতে সহায়তা, গ্রেপ্তার এসআই ও পুলিশ সদস্য কুষ্টিয়া হত্যা মামলায় হানিফসহ ৪ আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি ঢামেকের বাথরুমে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ, সামনে মিলল রক্তমাখা ছুরি ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু অর্থ পাচারের তথ্য-প্রমাণ, তবু মামলা হয়নি সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের বিরুদ্ধে সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রসিকিউশনের আপিল সুন্দর ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ার সুনিপুণ কারিগর: ‘মা’ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল যেন ডেঙ্গুর অভয়ারণ্য নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ রোগীর স্বজনরা মোরেলগঞ্জে শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড জালিয়াতি: ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, তদন্তে দুদক

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ০ বার ভিউ
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হেলজেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ বছরের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

আইসকিউব নিউট্রিনো পর্যবেক্ষণ এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ মেরুর বরফকে কাজে লাগিয়ে নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করা সম্ভব এ ধারণার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ছিলেন ফ্রান্সিস হেলজেন। তার এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’।

প্রায় এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বরফের বিশাল এই গবেষণাগারে বসানো হয়েছে অসংখ্য আলোকসংবেদী সেন্সর। এসব সেন্সরের মাধ্যমে মহাবিশ্বের দূরবর্তী ও অত্যন্ত শক্তিশালী বিভিন্ন উৎস থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসা নিউট্রিনো শনাক্ত করা হয়।

নিউট্রিনো এমন এক ধরনের কণা, যা সাধারণত কোনো কিছুর সঙ্গে খুব কমই মিথস্ক্রিয়া করে। ফলে বিপুলসংখ্যক নিউট্রিনো প্রতিনিয়ত পৃথিবী ও মানবদেহের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করলেও তা সরাসরি অনুভব করা যায় না।

বিজ্ঞানীদের মতে, যে পরিবেশে অন্যান্য উচ্চ-শক্তির কণা তৈরি হয়, সেখান থেকেই নিউট্রিনোরও উৎপত্তি হতে পারে। তবে অন্য অনেক কণার তুলনায় নিউট্রিনো খুব কমই দিক পরিবর্তন করে বা শক্তি হারায়। ফলে মহাজাগতিক উৎস থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছানো নিউট্রিনো তাদের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করতে পারে।

হেলজেন ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো শনাক্ত করার ধারণা সামনে আনেন। নিউট্রিনো কোনো পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ক্ষীণ আলোর ঝলক তৈরি হতে পারে। স্বচ্ছ বরফের মধ্যে থাকা সেন্সরের সাহায্যে সেই আলোর গতিপথ শনাক্ত করা সম্ভব।

দক্ষিণ মেরুর বরফ এ ধরনের গবেষণার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। বাইরের বিভিন্ন প্রভাব থেকে তুলনামূলকভাবে বিচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল পরিবেশ হওয়ায় সেখানে বিশাল আকারের নিউট্রিনো পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়।

উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো অত্যন্ত বিরল হওয়ায় সেগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা শনাক্ত করতে বিপুল পরিমাণ বরফের প্রয়োজন হয়। এ লক্ষ্যেই দক্ষিণ মেরুতে এক ঘনকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ‘আইসকিউব’ গবেষণাগার নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১১ সালে।

এরপর বিজ্ঞানীরা দ্রুতই উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনোর সন্ধান পান। পরবর্তী সময়ে এমন নিউট্রিনোরও সন্ধান মেলে, যেগুলোর উৎস আমাদের সৌরজগতের অনেক দূরের মহাজাগতিক অঞ্চল।

এর মাধ্যমে মহাবিশ্বের বিভিন্ন উচ্চ-শক্তির উৎস এবং সেখানে সংঘটিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন তথ্য জানার পথ তৈরি হয়। আইসকিউবের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এখন উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো কীভাবে তৈরি হয়, সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন।

এর আগে ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট ও জন এম মার্টিনিস। বৈদ্যুতিক বর্তনীতে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তাদের এ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।

১৯০১ সাল থেকে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট ১১৯ বার এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে লরেন্স ব্র্যাগ এ পুরস্কারের সবচেয়ে কম বয়সী বিজয়ী হন। অন্যদিকে ৯৬ বছর বয়সে আর্থার আশকিন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সী বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড গড়েন। ২০১৮ সালে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ
ThemeCreated By A.Rayhan