

প্রতিবছর ঈদের ছুটিতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড়ে যানজটের সমস্যা তীব্রভাবে দেখা দেয়। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টা চেষ্টা করেও যানজট নিয়ন্ত্রণে সীমিত সাফল্য পান।
চন্দ্রা এলাকায় যানজট মূলত দুই দিকে শুরু হয় গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা ও ভোগড়া বাইপাস থেকে এবং আশুলিয়া নবীনগর দিক থেকে। ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের যাত্রীবাহী বাসগুলো নবীনগর ও চন্দ্রা হয়ে যাত্রা শুরু করে, আবার আব্দুল্লাহপুর ও গাজীপুর থেকে আসা বাসগুলো ভোগড়া বাইপাস হয়ে চন্দ্রা দিয়ে উত্তরাঞ্চলের দিকে যায়। এতে চতুর্মুখী চাপ সৃষ্টি হয়।
ঈদে কলকারখানা ছুটি হওয়ায় মানুষ একসাথে সড়কে নামেন। মহাসড়কে সামান্য যানবাহন স্থির থাকলেও পিছনে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ফ্লাইওভার থাকা সত্ত্বেও ওপর ও নিচের দুই দিকে একই সঙ্গে যানবাহন চাপের কারণে যানজট দীর্ঘায়িত হয়।
চন্দ্রা এলাকার ব্যবসায়ী আলমাস হোসেন জানিয়েছেন, আগে একই স্থানে ৮–১০ ঘণ্টা বাস দাঁড়িয়ে থাকত এখন দুই-তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকতে হয়। তবে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে।
পরিবহন ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন ও বাস চালক সেলিম হোসেনও বলেছেন, যানজটের প্রধান কারণ হলো সড়কে যানবাহনের ঘনত্ব এবং কিছু দুর্ঘটনা বা বিকল যানবাহন।
গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক শওগাতুল আলম এবং জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন জানিয়েছেন, ঈদে পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বে থাকবেন। ছুটি ও কারখানার ছুটি পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বছর যানজট কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।
তাদের আশা, যাত্রীরা এবার নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছাতে পারবেন এবং ঈদযাত্রা তুলনামূলকভাবে সুষ্ঠু ও নিরাপদ হবে।