

চৈত্র মাসের শেষভাগ চলছে, সামনে বাংলা নববর্ষ। তবে বিদায়ী মাসজুড়ে দেশের আবহাওয়া ছিল বেশ অস্থির। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও কালবৈশাখী, শিলা বৃষ্টি ও বজ্রপাত দেখা গেছে।
ঈদুল ফিতরের পর কয়েক দিনের তাপপ্রবাহ যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ঢাকা ও ফরিদপুরসহ ২৭টি জেলায় প্রভাব ফেলেছিল। এরপর আবারও ঝড়বৃষ্টি ফিরে এসে সাময়িক স্বস্তি দিলেও সেই পরিস্থিতি বেশিদিন স্থায়ী হচ্ছে না।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পয়লা বৈশাখের আগ পর্যন্ত দেশের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে যেতে পারে। এর ফলে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। আগামী কয়েক দিন আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকতে পারে, বিশেষ করে ঢাকাসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে।
শনিবারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, ১১ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বড় ধরনের কালবৈশাখীর আশঙ্কা কম। তবে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অংশে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে গরম আরও বাড়বে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, পয়লা বৈশাখের দিনে ঢাকাসহ কিছু অঞ্চলে হালকা বা বিচ্ছিন্ন বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে পশ্চিমাঞ্চলের যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হতে পারে।
শনিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় যা ছিল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।