বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পূজার সঙ্গে শাহরুখের বন্ধুত্বের মুহূর্ত দেখে ভক্তদের প্রশংসার বন্যা ইউপি-পৌরসভাসহ ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে বসবে সোলার প্যানেল : মীর শাহে আলম ইরানকে ‘সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ট্রাম্পের আর মাত্র এক ম্যাচ! মেসির বিদায়ী ম্যাচের জার্সিতে বিশেষ চমক মোরেলগঞ্জে গ্রাম পুলিশের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন কুড়িগ্রামে কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত জাতিসংঘে ২৪ সেপ্টেম্বর : তিন প্রজন্মের ইতিহাসের নতুন অধ্যায় পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচন সংলাপ বন্ধ তেলের খরচই উঠছে না, গোলাপি বাসে প্রতিদিন লোকসান ধানমন্ডি লেক থেকে মার্কেটিং কনসালটেন্টের মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়িয়েও ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান : রিজভী বেকারত্ব কমাতে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি পুরোনো ছবি-ভিডিও দিয়ে বিভ্রান্তি ঠেকাতে চট্টগ্রাম পুলিশের নজরদারি জ্বালানির পর বাসভাড়া বাড়ল, কিলোমিটারে ১৭ পয়সা জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলবেন তারেক : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা গ্রেপ্তার পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক আলীমুল আমীন গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের দাফন সম্পন্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার শঙ্কা তথ্য পাচারের সন্দেহে ডিএমপির থানার রাইটারদের গণবদলি
Notice :

নতুন নোটে বান্ডেল প্রতি ৩০০–৬০০ টাকা বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর খোলা বাজারে নতুন নোটের চাহিদা তুঙ্গে। তবে সরবরাহ সংকটকে পুঁজি করে একশ্রেণির মৌসুমি ব্যবসায়ী বান্ডেলপ্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায় করছেন।

রাজধানীর গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন নোট। প্রকাশ্যেই চলছে এই কেনাবেচা যদিও এটি আইনত দণ্ডনীয়।

বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের। এছাড়া ২, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নোটও বিক্রি হচ্ছে। নতুন নকশার নোটের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দাম আরও বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দুই টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা– সব নোটই মিলছে এখানে। তবে প্রতিটি বান্ডেলের জন্য দিতে হচ্ছে বাড়তি চড়া দাম।চড়া মূল্যে বিকোচ্ছে ছোট নোটবাজারে এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদা ৫, ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের। পাশাপাশি ২, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নকশার নোটও বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন নকশার নোটগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি টাকার পরিমাণ আরও বেশি।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বান্ডেলে ১০০টি নোট থাকে। কেউ বান্ডেল নিতে না চাইলে তিনি ১ হাজার বা তার মন মতো করেও নতুন টাকার নোট নিতে পারেন। এক্ষেত্রেও বাড়তি টাকা দিতে হবে।

২ টাকার নতুন বান্ডেলে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ৫ টাকার বান্ডেলে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ১০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডেল ৫০০ থেকে ৬০০ অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে। ১০০ টাকার বান্ডেলেও অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ৬০০ টাকা।

এছাড়া ২০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট কিনতেও ক্রেতাদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

এক বিক্রেতা বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার থেকে ক্রেতা বেশি আসছে। তবে বিক্রি এখনো আশানুরূপ নয়।

নতুন নোটের বান্ডেলপ্রতি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, তারাও চড়া মূল্যে এসব নোট সংগ্রহ করতে বাধ্য হন। ফলে লাভ না করলে ঈদের খরচ চালানো সম্ভব নয় বলে দাবি করেন তারা।

এবার সাধারণ মানুষের জন্য নতুন নোট সরবরাহ করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ব্যাংকগুলোতে নতুন নোটের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন ফুটপাতের অস্থায়ী বাজারগুলোতে।

রহিম নামে এক ক্রেতা জানান, ছোট ভাই ও ভাতিজাদের সালামি দেওয়ার জন্য তিনি ২ হাজার টাকার নতুন নোট কিনেছেন। দাম বেশি হলেও শখের বশে তা কিনতে বাধ্য হয়েছেন।

আরেক ক্রেতা সোহেল বলেন, ব্যাংকে কাঙ্ক্ষিত নতুন নোট পাওয়া যায় না। এমনকি প্রয়োজন অনুযায়ী বান্ডেলও মেলে না। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে ফুটপাত থেকে নতুন নোট কিনতে হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *