শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন চাপ জ্বর-কাশির রোগীতে ভিড়, ডেঙ্গু-হামের চাপে শয্যাসংকট বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী : মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়াবে : রাষ্ট্রপতি আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ ফিলিস্তিনিদের পাশে বাংলাদেশের থাকার বার্তা জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর শিশুর আঙুল বিচ্ছিন্নের অভিযোগে কনস্টেবল ও স্ত্রী গ্রেপ্তার লেবুর দানা গিলে ফেললে দুশ্চিন্তার কারণ আছে কি? নিউইয়র্কে তারেক রহমান-শাহবাজ শরিফের প্রথম বৈঠক, বাণিজ্য-যোগাযোগে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা জিৎ-ইধিকার জুটি নিয়ে টালিপাড়ায় নতুন আলোচনা মিরপুর-তেজগাঁওয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএনসিসির অভিযান, মাঠে সক্রিয় আনসার ব্যাটালিয়ন সপ্তাহের আমল পর্যালোচনায় জুমার দিনের গুরুত্ব নরসিংদীতে অটোরিকশা-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ ‘আট মাস ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি’, প্রাথমিক নিয়োগ নিয়ে নাহিদের অভিযোগ প্রকৃতির অপরূপ সাজে মিরিঞ্জা ভ্যালি, ভ্রমণপিপাসুদের নতুন ঠিকানা গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে : পেট্রোবাংলা সরকারের ভেতরের একটি অংশ আওয়ামী লীগকে ফেরাতে ইন্ধন দিচ্ছে : পরওয়ার প্রতিটি মানুষ চরিত্র, পরিবার এবং মানবিক মূল্যবোধের দর্পণ স্বরূপ-মিজানুর রহমান শিশুর কৌতূহল ও ইতিবাচক অভিভাবকত্ব সুদহার ও মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েনে দোদুল্যমান স্বর্ণবাজার
Notice :

‘আট মাস ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি’, প্রাথমিক নিয়োগ নিয়ে নাহিদের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও কিছু প্রার্থীর নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে অন্তত এক হাজার প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান নাহিদ ইসলাম। সেখানে তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন এবং বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে অভিযোগ করেন, লিখিত পরীক্ষা ও নিয়োগের অন্যান্য ধাপ অতিক্রম করে নির্বাচিত হওয়ার পরও অনেক তরুণকে দীর্ঘ সময় ধরে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় আট মাস ধরে চলা এই প্রক্রিয়ার কারণে প্রার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

তিনি দাবি করেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও এক হাজারের বেশি মেধাবী তরুণ নিয়োগপত্র না পেয়ে হতাশায় পড়েছেন। নাহিদের অভিযোগ, পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করার পরও তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এনসিপি আহ্বায়ক আরও দাবি করেন, যেসব প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন, তাঁদের বড় একটি অংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির তথ্য নেই।

তিনি বলেন, এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে অতীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তবে কোনো স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, একজন প্রার্থী লিখিত ও মৌখিকসহ নিয়োগের প্রয়োজনীয় ধাপগুলো সফলভাবে শেষ করার পর কেবল অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে তাঁকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হলে সেটি নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

এ কারণে যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ভেরিফিকেশনে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে তা জনসমক্ষে প্রকাশের আহ্বান জানান।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সনদ যাচাই ও ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার কারণে তাদের নিয়োগে দীর্ঘ সময় লাগে।

সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, ইতিবাচক পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণকারী প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বিভিন্ন জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।

এ অবস্থায় ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, যাচাইয়ের মানদণ্ড এবং সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশের প্রশ্ন সামনে এনেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *