বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সুদহার ও মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েনে দোদুল্যমান স্বর্ণবাজার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর এবার বাড়ল লঞ্চভাড়াও ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি ধামরাইয়ে প্রেমিকার বাড়ি থেকে প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মা-মেয়ে আটক পূজার সঙ্গে শাহরুখের বন্ধুত্বের মুহূর্ত দেখে ভক্তদের প্রশংসার বন্যা ইউপি-পৌরসভাসহ ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে বসবে সোলার প্যানেল : মীর শাহে আলম ইরানকে ‘সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ট্রাম্পের আর মাত্র এক ম্যাচ! মেসির বিদায়ী ম্যাচের জার্সিতে বিশেষ চমক মোরেলগঞ্জে গ্রাম পুলিশের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন কুড়িগ্রামে কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত জাতিসংঘে ২৪ সেপ্টেম্বর : তিন প্রজন্মের ইতিহাসের নতুন অধ্যায় পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচন সংলাপ বন্ধ তেলের খরচই উঠছে না, গোলাপি বাসে প্রতিদিন লোকসান ধানমন্ডি লেক থেকে মার্কেটিং কনসালটেন্টের মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়িয়েও ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান : রিজভী বেকারত্ব কমাতে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি পুরোনো ছবি-ভিডিও দিয়ে বিভ্রান্তি ঠেকাতে চট্টগ্রাম পুলিশের নজরদারি জ্বালানির পর বাসভাড়া বাড়ল, কিলোমিটারে ১৭ পয়সা জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলবেন তারেক : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা গ্রেপ্তার
Notice :

হরমুজ প্রণালি বন্ধ, সার সংকট ও খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ানোর আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের ফলে সারের চালান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী ফসলের উৎপাদনে ভয়াবহ কমতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে বিশ্বব্যাপী ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এই সংকট সরাসরি খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও এ বিষয়ে আল জাজিরাকে বলেছেন, ফসল রোপণের সময়কাল সঙ্কটের মুখে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো যেমন : যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল, ফসল চাষে পরিবর্তন আনতে পারে। তারা এখন গম ও ভুট্টার পরিবর্তে সয়াবিন চাষে ঝুঁকতে পারে।

তোরিও আরও বলেন, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনে মনোযোগী হতে পারে।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যে বেড়ে গেছে এবং আগামী বছর খাদ্যপণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

এফএওর এই প্রধান বলেন, আমরা উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি এবং উচ্চ পণ্যমূল্য নিয়ে শঙ্কিত। আমাদের খাদ্য শুধুমাত্র কাঁচামাল নয় এর সঙ্গে জ্বালানি খরচও যুক্ত।

এফএও আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে, পরিস্থিতি ততই আরও খারাপ হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *