মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার শঙ্কা তথ্য পাচারের সন্দেহে ডিএমপির থানার রাইটারদের গণবদলি প্রথমবার জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী ৫৬ দিনের মাথায় ভিসি বদল, চুয়েটে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন জ্বালানি সংকটে ক্রেতা হারানোর শঙ্কা পোশাক শিল্পে স্পিকারের চিঠি না আসায় গাজী নজরুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না ইসি আরও এক বছরের জন্য জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম মুন্সিগঞ্জে চারা উৎপাদনে বদলেছে কৃষকের ভাগ্য টোকিওতে টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব, বন্ধ ট্রেন-ফ্লাইট রোহিঙ্গাদের অধিকার ও প্রত্যাবাসনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনও তুলনামূলক কম: রিজভী ইমরান খানের তিন বোনই আটক, পিটিআইয়ের নিন্দা জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী আফগানিস্তানে রাতভর পাকিস্তানের হামলা, নিহত একই পরিবারের ৩ জন অপ্রতিম হত্যা : তথ্য গোপন করায় সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ এমপি নজরুলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধামরাইয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মহিলাদল নেত্রীর মামলা ব্যাংক পরিচালনায় নিজেদের সংস্কারে এনসিসি ও এসবিএসি
Notice :

ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনও অক্ষত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনও অক্ষত টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক সামরিক হামলার পরও ইরানের উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এখনো অক্ষত রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা (লঞ্চার) এখনও অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির অস্ত্রভাণ্ডারে হাজার হাজার ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন মজুত আছে। কিছু লঞ্চার হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়েছে বা অচল হয়ে গেছে, তবে সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ফলে, ইরান এখনও পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

দুটি সূত্রের তথ্যমতে, ইরানের প্রায় ৫০ শতাংশ ড্রোন সক্ষমতা টিকে আছে, অর্থাৎ হাজার হাজার ড্রোন তাদের হাতে রয়ে গেছে। এছাড়া ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ অক্ষত রয়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র এসব উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায় তুলনামূলক কম হামলা চালিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস হওয়ার দাবি করেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ক্ষমতা কমে গেছে এবং তাদের অস্ত্র কারখানা ও লঞ্চারগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।

তবে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ধ্বংসের পরিমাণের চেয়ে ইরানের পাল্টা হামলার হার কমে যাওয়ার দিকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এক ব্রিফিংয়ে জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশ এবং কামিকাজে ড্রোন হামলাও ৯০ শতাংশ কমেছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অক্ষত থাকার দাবির সমালোচনা করে বলেন, বেনামী সূত্রগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক সাফল্যকে খাটো করার চেষ্টা করছে।

তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *